ধর্ষণের প্রমাণ অনেকাংশে শারীরিক (ডাক্তারি) পরীক্ষার ওপর নির্ভরশীল। এ জন্য ধর্ষণের শিকার মেয়েটিকে ‘দুই আঙুলি পরীক্ষা’ নামে একটি পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হতো, যা তাঁকে মানসিকভাবে আরও বিপর্যস্ত করে দিত। এটি নারীর জন্য অবমাননাকর। দুই আঙুলের মাধ্যমে ধর্ষণ পরীক্ষা পদ্ধতির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট-ব্লাস্ট, আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক), বাংলাদেশ মহিলা... বিস্তারিত
from প্রথম আলো https://ift.tt/2HjSWgk
No comments:
Post a Comment
Your Message Will Riplied Within 24 Hours.
Thank You.