মরশুমের তৃতীয় কলকাতা ডার্বিতে ফের জয়ধ্বনি দিল ইস্টবেঙ্গল ফুটবল ক্লাব। ভুবনেশ্বরের কলিঙ্গ স্টেডিয়ামে মোহনবাগান সুপার জায়ান্টকে তারা ৩-১ গোলে হারিয়ে দিয়েছে। ম্যাচের শুরু থেকে মোহনবাগানকে বেশ আক্রমণাত্মক মেজাজেই দেখতে পাওয়া গিয়েছিল। এমনকী ম্যাচের প্রথম গোলটা এসেছিল সবুজ-মেরুন ব্রিগেডের পা থেকেই। কিন্তু তারপর ঘুরে দাঁড়িয়েছে ইস্টবেঙ্গল। অধিনায়কোচিত পারফরম্যান্স করলেন ক্লেইটন সিলভা। এছাড়া একটি গোল করেছেন ডুরান্ড ডার্বির নায়ক নন্দকুমার শেখর। তবে এই হারের দায় মোহনবাগান সমর্থকদের একাংশ কিন্তু দলের তারকা ফুটবলার দিমিত্রি পেত্রাতোসের ঘাড়েই ঠেলে দিতে চাইছেন। তাঁদের কথায়, মোক্ষম সময়ে তিনি পেনাল্টি শট মিস না করলে হয়ত এই ম্যাচের ফলাফল আলাদাই হত।কী হয়েছিল ঘটনাটি?তখন কলকাতা ডার্বির প্রথমার্ধ একেবারে গোধূলিলগ্নে এসে দাঁড়িয়েছে। বক্সের মধ্যে হিজাজি হ্যান্ডবল করার কারণে কিয়ান নাসিরি পেনাল্টির আবেদন করেন। সেই আবেদনে সাড়া দিয়েছিলেন রেফারি। প্রথমার্ধের রেগুলেশন টাইমের পর অতিরিক্ত ৫ মিনিটে পেনাল্টি শট নিতে আসেন মোহনবাগানের তারকা ফুটবলার দিমি পেত্রাতোস। প্রথমবার তাঁর পেনাল্টি শট থেকে গোল হলেও, রেফারি পুনরায় শট নিতে বলেন। জানানো হয় নিয়ম লঙ্ঘন করেছেন পেত্রাতোস। কী নিয়ম লঙ্ঘন করলেন? আসলে, পেত্রাতোস শটটি মারার আগেই মোহনবাগানের দুই ফুটবলার হুগো বুমোস এবং রাজ বাসফোরে বক্সের মধ্যে ঢুকে পড়েন। এটা একেবারেই ফুটবলের নিয়ম বিরুদ্ধ ছিল। সেকারণেই তাঁকে আবার শট নিতে হয়।দ্বিতীয়বারও পেত্রাতোসের উপরেই আস্থা রেখেছিলেন ক্লিফোর্ড মিরান্ডা। কিন্তু, সেই আস্থার দাম দিতে পারলেন না পেত্রাতোস। তিনি একইদিকে আবারও শট মারেন। কিন্তু, বলটা গোলপোস্টে প্রতিহত হয়ে ফিরে আসে। মেরিনার্সরা সেই প্রতিহত হয়ে আসা বলে শট নেওয়া চেষ্টা করলেও আদতে কোনও লাভ হয়নি। বাগান সমর্থকদের একাংশের মতে, এই একটা হঠকারি সিদ্ধান্তই দলের মনোবল একেবারে ভেঙে দেয়। সেকারণে ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণে সেভাবে কোনও ঝাঁঝই দেখতে পাওয়া যায়নি। আর সেকারণে তাঁরা পেত্রাতোসকে খলনায়কের তকমা দিতে শুরু করেছেন। যদিও অনেকে আবার এই কঠিন সময়ে তাঁর পাশেও দাঁড়িয়েছেন।
from Bengali News, Bangla Sangbad, বাংলা খবর, Latest Bengali News, News in Bangla, Breaking Bangla Khobor - Ei Samay https://ift.tt/qDXsJfz
No comments:
Post a Comment
Your Message Will Riplied Within 24 Hours.
Thank You.