ঋদ্ধি ভট্টাচার্য ও অয়োনা চ্যাটার্জি: কথায় আছে, ‘পাপ তার বাপকেও ছাড়ে না’। আবার এও চূড়ান্ত সত্য যে, অজান্তেও আমরা অনেকসময় পাপ করে ফেলি, কখনও সেটা হিংসের বশে, রাগের বশে আবার কখনো বা লোভের বশে। তবে যাই-ই মানুষের অবচেতন মন ছোট-বড় সব ঘটনারই ছবি নিজের মধ্যে বন্দি করে রাখে। আর বিখ্যাত মনোবিদ ফ্রয়েডের মতে, এই ছবিগুলিই বিকটরুপ ধরে ধরা দেয় মানুষের দুঃস্বপ্ন রুপে। ঠিক এরকমই একটা ভাবনার সুন্দর বহিঃপ্রকাশই হল এই স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটি, যার নাম এনট্র্যাপ, পরিচালকদ্বয়ের নাম হল ঋতভাষ সাহা ও সুদর্শন বসু। মূল চরিত্রে আছে আকাশ সাহা । এছাড়াও সহযোগিতায় করেছে শর্বানি ভট্টাচার্য, সাগ্নিক চ্যাটার্জি ও অর্ঘ্য রায় চৌধুরী । বর্তমান ভারতের প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে, যেখানে নির্ভয়া ও আসিফা ধর্ষণকান্ডের মতো ঘৃণ্য ঘটনার পিছনে থাকা পাশবিক বিক্রিত যৌন আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন যেমন উঠে এসেছে এই ফিল্মের হাত ধরে, তেমনই যুব সমাজের অসহিষ্ণু মনোভাবও। সঠিকভাবে চিত্রায়িত হয়েছে সুদর্শন বসুর এই কাহিনী ও চিত্রনাট্যের মাধ্যমে।হয়তো চিন্তাভাবনাটা সমসাময়িক হলেও, চলচ্চিত্রটির পরিবেশনে বেশ অন্যরকম একটি আপিল আছে। মোনোক্রোম্যাটিক অথবা সাদা-কালো টোনের ব্যবহার দর্শকের মনে চলচ্চিত্রে চরিত্রের মাধ্যমে দেখানো ছটফটানিটটাকে সাফল্যের সাথে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছে এই চলচ্চিত্রের পরিচালকেরা। বাস্তবিকভাবে ‘ফিল্ম নোয়া’-এর বেশ কতগুলি চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান রয়েছে যথা মুখ্য চরিত্রের মধ্যে সততা ও ন্যায়ের অভাব, একাকিত্ব এবং সর্বোপরি সাদা-কালো টোনের ব্যবহার মানসিকভাবে দর্শকের মনে ধাক্কা দিতে বাধ্য করে। পরিশেষে বলা যায়, এটি একটি অন্যরকম প্রয়াস।
from Sting Newz | 24 x 7 Online News From Bengal https://ift.tt/2HI3Ifw

No comments:
Post a Comment
Your Message Will Riplied Within 24 Hours.
Thank You.